আমার দর্শন
“ধূলির ধরায় সবই বিলীন হবে একদিন, মানব জগতে যদি কিছু কর তা রয়ে যাবে চিরদিন”

আমি বিশ্বাস করি
“মানুষ মানুষের জন্য একজন মানুষ হিসেবে অন্য আরেক জন মানুষের পাশে দাঁড়াতে পাড়াটাই জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া”

২০০৯ সাল থেকে আমি প্রত্যক্ষ ভাবে বিভিন্ন রকমের সামাজিক কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত রয়েছি। ঢাকার মধ্যে আমি চারটি ইনফরমাল স্কুলের উদ্যোক্তা হিসাবে কাজ করেছি
রোড টু স্কুল (তেজগাঁও শিল্প এলাকা),
পড়শি স্কুল (তেজগাঁও রেলওয়ে স্টেশনের পাশের বস্তিতে),
গণশিক্ষা আন্দোলনের দ্বিতীয় স্কুল( কলাবাগান লেক সার্কাস বস্তিতে),
চেঞ্জ দ্যা লাইভ (পথশিশুদের স্কুল ঢাকা এয়ারপোর্ট রেলওয়ে স্টেশনে)।

ঢাকার বাইরে কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারি থানার কাঁচকোল (পরিবর্তন স্কুলের) উদ্যোক্তা ছিলাম।
পাবনা জেলার ভাঙ্গুরা থানার লামকান গ্রামে (আরশেদ আলী সেলাই প্রশিক্ষন কেন্দ্র) চালু করেছিলাম নারীদের আর্থিক দিক থেকে স্বাবলম্বী করার জন্য।
এ ছাড়া আমার নিজ জেলা নাটোরে প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষক সংকট নিরসন কল্পে অনার্সে পড়ুয়া স্টুডেন্টদেরকে দিয়ে (নতুন প্রভাত) নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করি। এই সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য হল প্রত্যন্ত অঞ্চলের যে সমস্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট চলছে ভলান্টিয়ার শিক্ষকের মাধ্যমে সেই সংকট দূরীকরণ করা।

তাছাড়া বিভিন্ন ধরণের সামাজিক সংগঠনের সাথে ভলেন্টিয়ার হিসাবে কাজ করেছি।
সি সি পি ফাউন্ডেশন স্কুল (কোঅরডিনেটর),
ভলান্টিয়ারস বাংলাদেশ (ভলান্টিয়ার কোঅরডিনেটর),
নব দিগন্তের পাঠশালা (সহকারী পরিচালক),
দরিদ্র চ্যারিটি ফাউন্ডেশন (ভলান্টিয়ার),
ওয়াই এ পি ফাউন্ডেশন (সহকারী সেক্রেটারি),
বিজিএন (ভলান্টিয়ার),
বিএনসিসি (ক্যাডেট),
এস সি আই(ভলেন্টিয়ার),
পড়শি ফাউন্ডেশনের (ডেপুটি সেক্রেটারি)
ভলান্টারি কার্যক্রমগুলো আমার রক্তের সাথে অতপ্রতভাবে মিশে আছে। আমি যত দিন বেঁচে থাকবো, ভলান্টারি কাজের মধ্যে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখবো। ছাত্রজীবনে দিনের অনেকটা সময় কাটতো এই ভলান্টারি কাজ করে। যে সময় আমার বন্ধুরা কার্ড খেলা আড্ডা দেওয়াতে ব্যস্ত থাকতো। সেই সময়গুলো আমার কেটেছে পথশিশুদের সাথে আড্ডা মেরে ওদের সুখ দুঃখের কথা শুনে।