Munzurul Hasan

আমার পুরা নাম মুনজুরুল হাসান। সবার কাছে আমি হাসান নামেই পরিচিত। পাঁচ সদস্যার ছোট্ট একটি পরিবার আমাদের। আব্বু সরকারি চাকরি করছেন আম্মু সংসার সামলাচ্ছেন। ছোট ভাই পড়ালেখা নিয়ে ব্যস্ত। আমার স্ত্রীও সংসার সামলাচ্ছে পাশাপাশি সময় পেলে আমার কাজে বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করছে। এই আমার পরিবার আর আমি এই পরিবারের বড়ছেলে।

ছোট বেলার কথা আব্বুর সরকারি চাকরির সুবাদে আমাদের বিভিন্ন যায়গায় থাকতে হত। আব্বুর ট্রান্সফারের খবর শুনলেই মনটা অনেক খারাপ হয়ে যেত। এই এলাকাতে এতদিন থাকলাম কত পরিচিত মুখ, এদের কারো সাথে আর দেখা হবে না। একটা নতুন যায়গায় গিয়ে কিভাবে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে হয়, কিভাবে নতুন কোন মানুষের সাথে পরিচিত হতে হয়, কিভাবে নতুন বন্ধু তৈরি করতে হয় এইগুলো খুব ছোটবেলা থেকেই শেখা। যে কোন নতুন কারো সাথে পরিচিত হওয়া এটা আমার একধরনের হবি অথবা অভ্যাস দুইটাই বলা যেতে পারে। এই অভ্যাসটা আসলে আব্বুর চাকরির সুবাদেই হয়েছে।

স্কুলে যাওয়ার সময় আম্মু টিফিনেরর জন্য যে টাকা দিত রাস্তায় কোন বৃদ্ধ ভিক্ষুক দেখলে তাকে দিয়ে দিতাম। বাসায় এসে আম্মুকে বললে সে বলতো খুব ভালো করেছো আব্বু। সেই ছোটবেলা থেকেই কারো জন্য কিছু করতে পারলে ভালো লাগতো। সেই ভালোলাগাগুলো এখন কাজ করে। আর এই ভালোলাগা থেকেই বিভিন্ন ধরণের সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখা।

আইটি উদ্যোক্তা ও পরামর্শক

আইটি সেক্টরে ২০১৩ সালে আমার প্রথম হাতেখড়ি হয়। সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিতে আপডেট নতুন নতুন বিষয়সগুলো, সবসময় আমাকে আকৃষ্ট করেছে। যে কোন সফটওয়্যারের এক্সেস পাওয়ার পর সেটার সমস্ত ফিচারস/ফাংশন না দেখা পর্যন্ত আমার অভিযান চলতেই থাকে। শুরুর দিকে এইচটিএমএল, সিএসএস দিয়ে প্রফেশনাল টেম্পেলেট বানিয়েছিলাম। সেই সময় থেকেই ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট কনসেপ্টের হাতে খড়ি হয়। কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিএমএস) যেমন ওয়ার্ডপ্রেস, জুমলা, মেজেন্টো, ওপেন কার্ট এ কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি কাজ করা হয়েছে ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে। ১২০+ এর অধিক সাইট তৈরি করেছি সে অনেক লম্বা এক ইতিহাস। এক সময় ওয়েবসাইট বানানো নেশায় পরিণীত হয়েছিল।

বর্তমান ট্রেন্ড অনুযায়ী কোন কোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এর চাহিদা বেশি। কোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এ কোন ধরণের আপডেট আসছে, কোন প্রজেক্ট কোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ দিয়ে বানালে ভালো হবে, এগুলো আমার দৈন্দিক কাজের অংশ। গুগল, ফেসবুক, মাইক্রোসফট সহ অন্য টেকনোলোজি জায়েন্টরা নতুন কি চমক দেখাতে যাচ্ছে বিশ্বকে সেগুলোর বিষয়ে আগাম আপডেট রাখা আমার হবি।

বিস্তারিত জানতে
একজন আইটি পরামর্শক
Sales and Marketing

সেলস ও মার্কেটিং

আমি একজন সেলসম্যান। প্রোডাক্ট আমার সন্তানের মত। সন্তানকে আমরা যেমন আদর স্নেহ ভালোবাসা দিয়ে বড় করি। ঠিক তেমনি প্রতিটি প্রোডাক্ট ক্রেতার হাত অবধি পৌছানো পর্যন্ত আমার ভালোবাসা থাকে অটল। আমি সবসময় প্রোডাক্ট বিক্রির ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় খুবই গুরুত্ব দিয়ে থাকি।

যে প্রডাক্টি আমি কাস্টমারের কাছে বিক্রি করবো সেই প্রোডাক্ট সম্পর্কে আমার পূর্ণ ধারণা থাকতে হবে। প্রোডাক্ট সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা না আসা পর্যন্ত আমি কাউকে সেটা অফার করি না। আমি বিশ্বাস করি সঠিক তথ্য সরবরাহ করার মাধ্যমে যে সেলসটি আসে সেটার মধ্যে যে তৃপ্তি পাওয়া যায়। কাস্টমারকে ভুলভাল বুঝিয়ে অতিরিক্ত মিথ্যা রসাত্মক কথাবর্তা বলে পন্য সেলস করার মাধ্যমে সাময়িক কৃতিত্ব থাকলেও সেটা খুব বেশি দিন অবস্থান করেনা।

কাস্টমারের সাথে সম্পর্ক বানানোর ক্ষেত্রে আমি যে বিষয়টা সবসময় খেয়াল করি সেটা হল, কাস্টমার এবং আমার মধ্যে কোন বিষয়টি মিল রয়েছে। যদি এমন হয় উনি ক্রিকেট খেলা পছন্দ করেন আমিও ক্রিকেট খেলা পছন্দ করি। কমন একটা বিষয় থেকে রিলেশনশিপটা শুরু হয়। আমার মনে হয় প্রোডাক্ট সেলস করার পূর্বে কাস্টমারের সাথে ভালো রিলেশনশিপ তৈরি করা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

বিস্তারিত জানতে

স্বেচ্ছাসেবক ও সামাজিক উদ্যোক্তা

আমার দর্শন

“ধূলির ধরায় সবই বিলীন হবে একদিন, মানব জগতে যদি কিছু কর তা রয়ে যাবে চিরদিন ”

আমি বিশ্বাস করি

“মানুষ মানুষের জন্য একজন মানুষ হিসেবে অন্য আরেক জন মানুষের পাশে দাঁড়াতে পাড়াটাই জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া ”

বিস্তারিত জানতে
A Volunteer

দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনে বিশ্বাসী

খুব শিগ্রই আমরা একটা রবোটিক যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছি। যান্ত্রিক সেই যুগে থাকবে না কোন ভালোবাসা স্নেহবোধ, একে অন্যর প্রতি সম্মানবোধ, থাকবে না কোন কৃতজ্ঞতাবোধ। কারণ সেই সময় রোবটের সাথে চলতে চলতে মানুষ ও একটা যন্ত্র হয়ে পড়বে। আমরা সেই রবোটিক যুগের ঠিক পূর্ব মুহূর্তে অবস্থান করছি। আমার দাদার মুখে শুনেছি তার বাবারা নাকি জয়েন্ট পরিবার ছিলেন। একসাথে ৮০ থেকে ৯০ জনের খাবার রান্না করতে হত। সবাই মিলে একসাথে একি বাড়িতে থাকতেন সুখ-দুঃখগুলো একে অন্যের সাথে ভাগাভাগি করে নিতেন।

যেখানে শুধু ব্যক্তি কেন্দ্রিক চিন্তা করা হয় সেখানে সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় তো ঘটবেই। সেখানে তো কেউ কারো প্রতি সম্মান দিয়ে কথা বলবে না, একজনের বিপদে অন্যজন সাহায্য করতে এগিয়ে আসবে না, এটাই তো স্বাভাবিক। এর জন্য আমাদের প্রত্যেকের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করা প্রয়োজন।

বিস্তারিত জানতে

এক কাপ কফি

নতুন কারো সাথে পরিচয় হওয়া তার সম্পর্কে জানা এবং নিজের সম্পর্কে বলা এটা আমার বাল্যকালের অভ্যাস। আব্বুর সরকারি চাকরি করার সুবাদে, এই অভ্যাসটি আপনা আপনি নিজের মধ্যে তৈরি হয়েছিল।

আমাকে দেখেছেন ফেসবুকে, সেমিনারে অথবা কোন ভলান্টারি কাজে। কিন্তু আমার সাথে কখনো আপনার সরাসরি সাক্ষাৎ হয়নি। যদি আপনার ইচ্ছে হয় আমার সাথে সাক্ষাৎ করবার। তাহলে আপনাকে আমন্ত্রণ জানাই আমার সাথে এক কাপ কফি পান করবার জন্য। কফি পান করতে করতে একজন অন্যজনের সম্পর্কে জানবো।

সাক্ষাৎ করবার জন্য
ফোন কল করতে পারেন- ০১৬১৫-২০৯৩০৯
ইমেইল করতে পারেন- [email protected]
আলোচনা সাপেক্ষে দুইজনার সময় অনুযায়ী সাক্ষাতের সময় নির্ধারণ করা হবে।